সমীরণ চন্দ্র বনিক: আজ বলবো গঙ্গোত্রী ধাম দর্শনের কথা। গতবছর,২৩/০৯/২৩, শনিবার, জানকীচটীর গেস্ট হাউস থেকে সন্ধ্যের একটু আগে, উত্তরকাশীতে কালি কমলির ধর্মশালায় উঠেছি। তার আগের দিন (২২/০৯/২৩) যমুনোত্রী দর্শন করেছি। 

উত্তরকাশীর কালি কমলির ধর্মশালাটা আমাদের বেশ ভালো লেগে গিয়েছিলো। সরাসরি গাড়ি ভেতরে ঢুকে যায়। চারিদিকে দোতলা বাড়ি। মানে অতিথিদের থাকার ঘর। মাঝখানে বিশাল উঠোন। গাড়ি পার্কিংয়ের কোনো চিন্তাই নেই। একেবারে, উত্তরকাশীর মূল মার্কেটের শুরুতেই এই ধর্মশালা। তারপরে যত এগোনো যাবে দোকানের সংখ্যাও তত বাড়বে। কি বিশাল মার্কেট। কত দোকান। কি না পাওয়া যায় সেখানে। এক একটা দোকানে প্রচুর স্টক। খুচরো, পাইকারী সব রকম কেনা বেচা হয়। আমরা জলের বোতল কিনেছিলাম পাইকারী দরে, বোতলপিছু ১২.৫০ হিসেবে। এখান থেকেই বোধহয় পুরো উত্তরকাশী জেলার সমস্তরকম সামগ্রীর চালান হয়। প্রচুর মানুষও রয়েছেন বাজারে, ঘুরে ঘুরে কেনাকাটা করছেন। মনে হচ্ছিলো হাতিবাগান বা গড়িয়াহাটে রয়েছি।